Home / ইউটিউব মার্কেটিং / ইউটিউব থেকে আয়ের কিছু অসাধারণ মাধ্যমঃ ইউটিউব মার্কেটিং গাইড ২০১৯

ইউটিউব থেকে আয়ের কিছু অসাধারণ মাধ্যমঃ ইউটিউব মার্কেটিং গাইড ২০১৯

ইউটিউব থেকে আয়ের কিছু অসাধারণ মাধ্যমঃ ইউটিউব মার্কেটিং

ইউটিউব মার্কেটিং

অনলাইন আয়ের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হল ইউটিউব। আজকে আমি আপনাদের সাথে এমন নতুন কিছু আয়ের মাধ্যম তুলে ধরবো যেগুলো করে আমি নিজেই উপার্জন করি, এবং আমার অনেক ছাত্রছাত্রী উপার্জন করতেছে, আশা করি পোস্টটি পড়ে আপনারা ইউটিউব আয়ের নতুন অনেক কিছুই জানতে পারবেন।ইউটিউব মার্কেটিং গাইড ২০১৯.

ইউটিউব পরিচিতিঃ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং দ্বিতীয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে ইউটিউব। এই ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইটটি ২০০৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, জাওয়েদ কারিম,স্টিভ চেম,চাদ হার্লি, তৈরি করেন।

চাঁদ মার্কিন, চেম হলেন তাইওয়ানিজ এবং জাভেদ করিম বাংলাদেশী। জাভেদ করিম জার্মানীতে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা বাংলাদেশি নাগরিক নাইমুল করিম এবং মা হলেন জার্মান নাগরিক ক্রিস্টিন করিম। বাবা ও মা দুজনই রিসার্চার। জাভেদ জার্মানীতে বড় হোন এবং তারপর মিনেসোটার ইউনিভার্সিটি অফ ইলিয়েনোস থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশোনা করেন।

জাভেদ করিম

উপরে ইউটিউবের একজন প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশী বংশদ্ভুত জাভেদ করিমকে দেখা যাচ্ছে।

ইউভানির্সিটিতে পড়াশোনা করার সময় তারা ৩ জনই PayPal এ চাকরী করতেন। পরে তাদের মাথায় একটি ভিডিও হোস্টিং সাইট চালু করার ইচ্ছা জাগে। এভাবেই আসলেই তৈরি হয় আমাদের সবার প্রিয় ওয়েবসাইট ইউটিউব।আপনারা জেনে অবাক হবেন যে ইউটিউবে আপলোড করা প্রথম ভিডিওটির নাম Me at the zoo. এই ভিডিওতে জাভেদ করিমকে দেখা যায় সান ডিয়েগো চিড়িয়াখানায়। 
২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে গুগল ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে ইউটিউব কিনে নেয়।

ইউটিউবের প্রথম আপলোড করা ভিডিওঃ লিংক

ইউটিউব এ প্রতি মিনিটের ৩০০ ঘন্টার বেশি ভিডিও আপলোড হয়। প্রত্যেক দিনে ৩০ মিলিয়ন এর ও বেশি এক্টিভ বিজিটর ইউটিউব ব্যবহার করেন।

চলুন এখন কাজের কথায় আসা যাকঃ

ইউটিউবিং বাংলাদেশের নেক্সট জেনারেশন স্থায়ী ইনকামের একটি উপায় হবে। যেখানে চাকুরীর পাশাপাশি অনেক ধরনের বিজনেসের সুযোগ তৈরি হবে সবার জন্য। যারা সততার সাথে লেগে থেকে সঠিকভাবে এগিয়ে যাবে তারাই একটা সময় মিলেনিয়ার হয়ে বের হবে, বর্তমান অবস্থা যাই হোকনা কেন।

আজকের এই পোস্টে আমি কিছু ইউনিক আয়ের মাধ্যম আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি যেগুলো দিয়ে আমি নিজেই গত দুই বছর ধরে উপার্জন করতেছি।

ইউটিউব থেকে উপার্জন করা যায় এই বিষয়টি নিয়ে এখন আর কাউকে বুঝাতে হয় না। যখন আমি ইউটিউব মার্কেটিং শুরু করি সেই ২০১৪-১৫ সালের দিকে, মার্কেটিং বললে ব্যাপারটি অন্যরকম বুঝায়, যখন ইসরার কবির ভাইয়ের মাধ্যমে জানতে পারলাম যে ইউটিউব থেকে উপার্জন করা যায় তখন কোন কিছু চিন্তা না করেই কাজ শুরু করে দিয়েছিলাম, আমি তখন ইউটিউব থেকে সফলতার মুখ খুব দ্রুতই দেখতে পাই। তখন ইউটিউব থেকে আয়ের ব্যাপার তো অনেক দূরে আমার পরিচিত অনেককেই বুঝাতে অনেক কষ্ট হত যে ইউটিউব থেকে উপার্জন করা যায়।

যাই হউক, এখন কথা হচ্ছে কিভাবে আপন একটি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করবেন এবং সেই ইউটিউব চ্যানেল থেকে বিভিন্নভাবে আয় করবেন সেই বিষয়গুলো জেনে আসা যাক।

ইউটিউবের নিয়মাবলিঃ

আপনি যে কোন জায়গায় কাজ করার আগে জেনে নিতে হবে সেই জায়গার নিয়ম কানুন, এতে আপনার পথচলা অনেকটা সহজ হবে। আমাদের নতুন সবচেয়ে বড় ভুল হচ্ছে কিছু না জেনেই কাজে নেমে পড়া, তাই কিছুদিন পরেই একাউন্ট সাসপেন্ড কপিরাইট স্ট্রাইক খেয়ে হতাশ হয়ে কাজ ছেড়ে দেই।
তাই আমি বলবো, আপনি যদি প্রফেশনালি ইউটিউব এ কাজ করতে চাচ্ছেন? তাহলে আপনাকে অবশ্যই সর্বপ্রথম জেনে নিতে হবে ইউটিউব এর নিয়ম কানুন কি। এখানে কি করতে পারবেন এবং কি কি করা যাবে না ইত্যাদি যাবতীয় সব কিছু, প্রয়োজন হলে দু তিন দিন শুধু ইউটিউব এর নিয়মকানুন নিয়ে পড়াশুনা করেন। তাহলে আপনাকে বার বার কোন এক্সপার্ট কে গিয়ে মেসেজ দিতে হবে না, আপনি নিজেই নিজের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

ইউটিউব এর টার্মস এন্ড কন্ডিশন কি কি জানতে এখানে ক্লিক করেন।

কিভাবে খুলবেন ইউটিউব চ্যানেলঃ

ইউটিউব চ্যানেল খুলা একদম সহজ কাজ, এর জন্য আপনার একটি জিমেইল একাউন্ট থাকা লাগবে। তারপরে এই জিমেইল দিয়ে ইউটিউব এ লগ ইন করে নিন।

YOUTUBE SIGN IN

তার পরে আপনি Creator Studio তে গিয়ে নিজের ব্রান্ড একাউন্ট তৈরি করে নিন।

Create a New YouTube channel

আপনি যখন ইউটিউব এ লগ ইন করবেন তখন সাধারণভাবেই একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে এটি হচ্ছে পারসোনাল চ্যানেল।

তারপরেও যদি কারো সমস্যা হয় তাহলে আপনি আমার চ্যানেল এর এই ভিডিও টি দেখে আসতে পারেন।


ইউটিউব থেকে আয়ের কিছু অসাধারণ মাধ্যমঃ

গুগল অ্যাডসেন্স ঃ

আমাদের সবার পরিচিত এবং সহজ মাধ্যম হচ্ছে গুগল অ্যাডসেন্স, যদিও গুগল অ্যাডসেন্স এখন আর এতো সহজ না অনেকের কাছে পাহাড় সমান মনে হয়, কারন ইউটিউবে অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে উপার্জন করতে হলে আপনাকে মনিটাইজেশন পেতে হলে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার এবং ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং সেটা অবশ্যই ১ বছরের মধ্যে অর্জন করতে হবে। এটি সবার কাছেই পরিচিত একটি মাধ্যম, এই মাধ্যম আপনাদের সামনে তুলে ধরার প্রধান কারন হলো, আমাদের এই একবছর সময় দিয়ে মনিটাইজেশন এর জন্য অনুমতি পেতেও পারি আবার না ও পারি, তাহলে কি আমরা ইউটিউব থেকে উপার্জন করতে পারবো না??? অবশ্যই পারবো।

অনেকেই ভাবে ৪ হাজার ঘন্টা Watch time ১ হাজার সাবসাক্রাইবার নিয়েও অনেকে মনিটাইজেশন পাচ্ছেনা আমি কিভাবে এই পথ শুরু করবো?

আসল ব্যাপার হলো অনেকে জানেনই না Youtube একটি টাকার খনি।

এখানে অনেক উপায় আছে আয় করার। 
আপনি Adsense এর জন্য ভিডিও বানিয়ে সেটা থেকে Approval না পেলেও সেই চ্যানেল দিয়েই দিব্বি আয় করতে পারবেন৷

চ্যানেল কাস্টমাইজেশনঃ

আপনি যদি নিজে নিজেই একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন, এবং একটি লগো তৈরি করতে পারেন নিজের চ্যানেল এর জন্য এবং নিজের চ্যানেল এর জন্য সুন্দর এবং প্রফেশনাল ব্যানার তৈরি করতে পারেন এবং প্রফেশনাল চ্যানেল কাস্টমাইজেশন করতে পারেন তাহলে আপনি এই স্কিলটুকু ও বিভিন্ন মার্কেট প্লেস এ সেল করে আয় করতে পারবেন।
আপনি যদি না জানেন কিভাবে একটি চ্যানেল প্রফেশনালি কাস্টমাইজ করতে হয় তাহলে আপনি আমার চ্যানেল এর এই ভিডিও টি দেখে আসতে পারেন।

ওকে ধরে নিলাম আপনি শিখে গেলেন কিভাবে একটি চ্যানেল খুলবেন এবং সেই চ্যানেল কাস্টমাইজড করবেন। এখন আপনি Fiverr, PeopleperHourFreelancer.comFivesquid.com এ নিজের এই স্কিল সেল করতে পারেন গিগ বা সার্ভিস খুলে।


আপনাদের জন্য কিছু কাজের প্রমাণ নিছে তুলে ধরলাম, যারা এই কাজটি করেই মার্কেটপ্লেস এ ৫০- ১ লাখ টাকা উপার্জন করতেছেঃ

নমুনা নাম্বার ওয়ানঃ

Youtube Earning

নমুনা নাম্বার টুঃ

ইউটিউব থেকে আয়ের কিছু অসাধারণ মাধ্যম
ইউটিউব এসইও করে আয়ঃ

আপনি যখন শিখে যাবেন কিভাবে চ্যানেল তৈরি করতে হয়, চ্যানেল কাস্টমাইজড করতে হয়। তখন নিজে নিজের চ্যানেল এ ভিডিও আপলোড করা শুরু করে দিন। এর জন্য ইউটিউব এসইও করে নিতে হবে আপনার ভিডিও এর জন্য। যখন আপনি আপনার নিজের ভিডিও টিকমতো এসইও করতে পারবেন, নিজের ভিডিও র‍্যাংক করাতে পারবেন, এবং র‍্যাংক করে ভিউ নিয়ে আসতে পারবেন, তখন আপনি এই স্কিল দিয়েই মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতে পারবেন।

কিভাবে নিজের ভিডিও এসইও করবেন এর জন্য আমি আমার অন্য একটি পোস্ট এ বিষয়ে আলোচনা করেছি।

পড়ে আসুন ইউটিউব আমি কিভাবে আমার ভিডিও এর জন্য এসইও করিঃ

আপনারা অনেকেই হয়তো আমাকে খুব ভাল করে চিনে থাকবেন, আমি মূলত ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করি, স্পেশালি এসইও নিয়ে কাজ করি।

আশা করি বুঝতে আর কোন সমস্যা হবে না যে আমি যে বিষয়গুলো বলতেছি সেগুলো দিয়ে ভাল মানের উপার্জন করা সম্ভব।

ব্যাকলিংক সেল করে উপার্জন করুনঃ

ব্যাকলিংক নিয়ে অনেকেই হয়তো জানেন না, কিন্তু একটি সাইট র‍্যাংক করতে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক এর গুরুত্ব অপরিসীম, শুধু সাইট না, ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করানোর জন্যও ব্যাকলিংক খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনারা শুধু চ্যানেল এর জন্য ব্যাকলিংক সেল করে উপার্জন করতে পারেন, যদিও এই সেক্টরে কম্পিটিশন খুব ই কম আছে এখনো, আমার দেখা হাতে গুনা মাত্র কয়েকজন ব্যাকলিংক নিয়ে কাজ করেন, তারা তাদের নিজের কোম্পানি এবং বড় বড় কোম্পানি এর ব্যাকলিংক দিয়ে থাকেন।

এখন কিভাবে ব্যাকলিংক কিভাবে প্রভাইড করবেন?? প্রথমে আপনাকে শিখে নিতে হবে ব্যাকলিংক কিভাবে কাজ করে। আমি দুঃখিত যে আমি এখনো ব্যাকলিংক নিয়ে বিস্তারিত তেমন কিছু লিখি নাই, ইনশাআল্লাহ বিস্তারিত লিখা হয়ে গেলেই ব্যাকলিংক এর পোস্ট টি শেয়ার করে ফেলবো আমি আমার ব্লগে। আমি যে কোন কিছু প্রকাশ করার আগে বিস্তারিত না জেনে এবং খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছাড়া পোস্ট করিনা। আশা করি এ সম্পর্কে পোস্ট আসলে ভাল কিছুই পেয়ে যাবেন

সোশিয়াল ব্যাকলিংকঃ

কিছু উদাহরণ না দিলেই নয়, আপনি আপনার ক্লায়েন্ট বা নিজের চ্যানেল সোশিয়াল মিডিয়াতে টার্গেটেড ট্রাফিক খুজে তাদের মাঝে প্রফেশনাল ভাবে নিজের ভিডিও এর মার্কেটিং করে ট্রাফিক নিয়ে আসাই ব্যাকলিংক। মনে রাখবেন কোনভাবেই যেনো আপনি স্পামিং না করেন, এতে উপকারের বিপরীতে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

আপনারা চাইলে
টুইটার মার্কেটিং
রেডিট মার্কেটিং
পিন্টারেস্ট মার্কেটিং 

ইন্সট্রাগ্রাম মার্কেটিং শিখে নিতে পারেন ।

ভাবতেছেন এতো কিছু কিভাবে শিখবে, আমি সবকিছু বলতেছি দেখে আপনাকে ও সবকিছু শিখতে হবে এমন তো নয়। যে কোন একটি বিষয় নিয়ে কাজ শিখুন তার পরে কাজে নামুন। আগে শিখুন তার পরে উপার্জনের কথা চিন্তা করুন। অযতাই মার্কেটপ্লেস এ একাউন্ট তৈরি করে মার্কেটপ্লেস নষ্ট করবেন না। মনে রাখবেন আপনি মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতেছেন মানে হচ্ছে আপনি সম্পুর্ন দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতেছেন। খারাপ কিছু করলেই তখন সম্পুর্ন দেশের ফ্রিল্যান্সারদের উপর আপনার কুপ্রভাব পড়বে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করেঃ

ইউটিউব এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই এফিলিয়েট মার্কেটিং করে উপার্জন করতে পারবেন। যারা মনিটাইজেশন এর জন্য বসে আছেন, তারা চাইলেই মনিটাইজেশন ছাড়াই ইউটিউব চ্যানেল থেকে উপার্জন করতে পারবেন।

আপনি শুধু ভিডিও Description এ রিলেটেড প্রডাক্ট এর লিংক দিয়ে রাখবেন৷ বায়ার দেখবেন এমনিতেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

Affiliate মানেই আমাজান না। অনেক সাইট আছে যেখানে বিনা ইনভেস্টমেন্ট এ কাজ শুরু করা যায়।

Aliexpress EPN প্রোগ্রাম তার ভিতর অন্যতম। আপনি চাইলে EPN প্রোগ্রামে জয়েন করে একসাথে Aliexpress, Banggood,Gearbest,eBay এর মতো জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস থেকে প্রডাক্ট সেল করতে পারবেন।

Youtube channel থাকলেই আপনি এটি করতে পারবেন৷

Aliexpress সাইট থেকে আপনার নিস রিলেটেড প্রডাক্ট নিয়ে বসিয়ে দিন৷ 
এর পর ঘুমিয়ে থাকুন। এসইও জান থাকলে টার্গেট কিওয়ার্ড এর উপরে র‍্যাংক করে বসে থাকুন। সেল ধীরে ধীরে আসা শুরু করবে। যদিও এভাবে কমিশন কম পাওয়া যায়,তবুও আপনার চ্যানেলে বেশি ভিডিও থাকলে এই ছোট এমাউন্টগুলো বিশাল আকার ধারন করবে। আপনার কাজ হচ্ছে সুন্দর করে প্রডাক্টটি ভিউয়ার্সদের সামনে প্রেজেন্ট করা।

বিভিন্ন পণ্যের রিভিউঃ

আপনারা চাইলেই আপনাদের পরিচিত অনেক শপের কাছ থেজে তাদের প্রডাক্ট এর রিভিউ ভিডিও তৈরি করে দিতে পারেন। মনে করেন আপনি কোন একটি ভিডিওতে তাদের পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত বললেন, এর বিনিময়ে আপনার মাধ্যমে তাদের পণ্যের প্রচারনা হয়ে গেলো এবং আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ একটি অর্থ পেয়ে গেলেন। যারা ঢাকাতে থাকেন তারা চাইলে বসুন্দরা সিটি কিংবা আপনার আশাপাশের পরিচিত কোন শপ থেকে তাদের প্রডাক্ট এর রিভিউ ভিডিও এর জন্য চুক্তি করতে পারেন। এবং যারা সিলেটে থাকেন,তারা চাইলে করিম উল্লাহ মার্কেট থেকে প্রডাক্ট রিভিউ ভিডিও তৈরি করতে পারেন, এর জন্য অবশ্যই আপনাকে তাদের প্রফিট দেখাতে হবে, আপনি প্রয়োজনে আপনার ভিডিও তে প্রডাক্ট এর জন্য একটি কোড ব্যাবহার করতে পারেন, সেই কোড টি গিয়ে কাস্টমার শপে বললো এবং তারা বুঝতে পারলো যে আপনার মাধ্যমে কাস্টমার আসছে।


ইউটিউব এর ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করে আয়ঃ

আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন যে ইউটিউব যে পথএ হাটতেছে সেই একই পথে ফেসবুক ও হাটা শুরু করেছে। এখন থেকে আপনারা চাইলে আপনাদের ইউটিউব এর ভিডিও ফেসবুক পেইজে আপলোড করে উপার্জন করতে পারবেন, আপনি তেমন কিছুই করতে হবে না, শুধু সুন্দর করে আপনার ক্যাটাগরির উপর বেইস করে একটি পেইজ তৈরি করুন। ফেসবুকে এড ব্রেক অর্থাৎ উপার্জনের যোগ্য হতে হলে আপনার পেইজে ১০ হাজার লাইক এবং ৩০, হাজার মিনিট ৩ মিনিটের বেশি লম্বা ভিডিও তে ভিউ নিয়ে আসতে হবে আর এর জন্য সময় দুই মাস, যদি প্রথম দুই মাসে না হয় তাহলে পরবর্তী দুই মাসের ভিতরে করতে পারলে তখন আপনি উপার্জন করতে পারবেন। 
ইউটিউব এ যেভাবে ভিডিও আপলোড করেন টিক একইভাবে ফেসবুক পেইজে ও ভিডিও আপলোড করুন, থাম্বনেইল, টাইটেল সবকিছু টিকমতো দিন।

এড ব্রেক পাওয়ার কিছুদিনের ভিতরেই আমার একটি পেইজের উপার্জন দেখুনঃ

ইউটিউব থেকে আয়ের কিছু অসাধারণ মাধ্যম

আশা করি আজকের এই পোস্ট টি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে, যদি আমার এই পোস্ট থেকে নতুন কিছু শিখে থাকেন তাহলে অবশ্য কমেন্টে জানাবেন, এবং এই পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিবেন।
পোস্টে ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং যদি কোন বানান ভুল হয়ে থাকে তাহলে আমি সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

পোস্টটি সম্পুর্ন পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

About Md Abu Taher

6 comments

  1. Avatar

    অসাধারণ তথ্য, ধন্যবাদ ভাই, এমন আরো আর্টিকেল চাই।

    • Abu Taher

      you’re welcome, brother. stay with my blog I will Try to Provide my Best article for you all..

  2. Avatar

    Khub sundor.. Esob VALUEABLE information jante onk smoy and research proyojon.Apni eto sundor kore guchiye likhe dichen er jnno apnk osonkho donnobad.

  3. Avatar
    FA Foysal Ahmed

    Thanks For Your NIce post. It’s very important to me. I’m waiting for your next post. I have need more SEO post its help to me rank my youtube channel.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *